রেপসিড মিল, TEER RAPESEED MEAL (তীর সরিষার খৈল) একটি উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ গো-খাদ্য। দানাদার খাদ্য তৈরিতে ক্রাশিং করে খাবারে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও পানিতে ভিজিয়ে রেখে নরম করে তা খড় বা ঘাসের সাথে অথবা অন্য যেকোনো খাবারের সাথে মিশিয়ে রেপসিড মিল খাওয়ানো হয়।
প্রচলিত নাম
রেপসিড মিল, সরিষার খৈল, রেপসিড অয়েল কেক, কেনোলা মিল, কোপরা মিল ইত্যাদি।
সরিষার খৈল এর পুষ্টি
- ডাইজেস্টেবল ক্রুড প্রোটিন ২৭%-২৮.৮০%
- টোটাল ডাইজেস্টেবল নিউট্রিয়েন্টস(TDN) ৭৪%।
- টোটাল মিনেরালস কন্টেন্ট ৫.৯%।
- ক্রুড ফাইবার ১২.১৭%- ১৪.৪২%।
- এশ ৭.১৩%।
- ক্যালসিয়াম ০.৬%।
- ফসফরাস ০.১%।

গরুকে সরিষার খৈল খাওয়ানোর নিয়ম
গরুকে সরিষা খৈল মুলত দুই ভাবে খাওয়ানো হয়। প্রথমত শুকনো রেপসিড মিল কে ১২ ঘন্টা আগে পরিমান মত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরে তা খর, বিছালি ও অন্যান্য খাদ্যের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো হয়।
এটি খুবই প্রচলিত ও আদি কাল থেকে হয়ে আসছে। এই পদ্ধতিতে খাওয়ালে অনেক গরু প্রথম প্রথম খেতে চায় না। এর কারণ গরুটি এটি খেতে অভ্যস্ত না। এই সমস্যায় গরুকে ধীরে ধীরে খাদ্যের সাথে অভ্যস্ত করতে হয়।
গরুকে এই খৈল খাওয়ানোর আরেকটি পদ্ধতি হলো খৈল কে ভালো ভাবে ক্রাশিং করে অন্যান্য দানাদার খাদ্যের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো।
গরু মোটাতাজাকরণে প্রতিটি গরুকে দিনে ২৫০ গ্রাম সরিষার খৈল খাওয়ালে গরুর ত্বক মসৃণ হয় এবং স্বাভাবিকভাবে চর্বির বৃদ্ধি ঘটে।
পোল্ট্রি খাবারে সরিষার খৈল ব্যবহার
পোল্ট্রি ফিডে দেশি বা দিবেশি সকল প্রকার সরিষা খৈল কম পরিমানে ব্যবহার করা হয়। যে সকল ফিড মিলে স্টিম সিস্টেম আছে তারা সামান্য পরিমানে মুরগির খাবারে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া যারা খামারে খাদ্য প্রস্তুত করেন তারা সরাসরি ব্যবহার না করাই ভালো। এতে রোগের প্রাদূর্ভাব বাড়ে।।
গরু ও মাছের খাদ্যে সরিষা খৈল
গরু ও মাছের খাবারে সরিষা অয়েল কেক প্রচুর ব্যবহার করা হয়। এই খৈলে ৩৮% থেকে ৪০% প্রোটিন ও প্রায় ১% ফ্যাট থাকায় এটি গরুর মাংশ উৎপাদনে, দুধ উৎপাদনে ভালো ভুমিকা রাখে। সকল প্রজাতির মাছের প্রোটিনের অরন্যতম উৎস এই খৈল।
পরিশেষে বলতে চাই, শরিষা এই খৈলের ব্যবহার আমাদের চেও আপরারা আরো ভালো জানেন, লিখতে হয় তাই লেখা। যারা ভেজাল মুক্ত রেপসিড মিল পেতে চান তাদের প্রথম পছন্দ “প্রাণিসম্পদ ডট কম”।
আরো দেখুনঃ প্রো-কন ফিস মিল ৬০%






মহাজ্জেল হোসেন –
Good quality and fast delivery. Thanks.
Admin –
Thank you