লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল

লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল

লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল বা টিকাদান কর্মসূচী একটি অতিব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মুরগিকে ভাইরাস ও অনুজীব থেকে রক্ষা পেতে ভ্যাকসিন বা টিকার বিকল্প নেই। সিডিউল যথাযথ ভাবে অনুসরন করা উচিৎ।

লেয়ার মুরগি পালন এমন একটি বিষয় যে এরকটি রোগই আপনার সমস্ত ইনভেষ্ট কে মুহূর্তেই ধুলোয় মিশিয়ে দিতে যথেষ্ট। আর তাই খামারে সর্বোচ্চ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গোড়ে তুলতে হবে।

লেয়ার মুরগির টিকাদান কর্মসূচী / লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল

বয়স দিনবয়স সপ্তাহরোগের নামটিকার নামপ্রয়োগের স্থানমন্তব্য
২১রানীক্ষেত ও ব্রংকাইটিসলাইভ বা জীবন্তচোখেআবশ্যক
৭১গামবোরোলাইভ বা জীবন্তচোখেআবশ্যক
১০২রানীক্ষেত ও গামবোরোকিল্ড বা মৃতচামড়ার নিচে/মাংসেআবশ্যক
১৫৩রানীক্ষেত ও ব্রংকাইটিসলাইভ বা জীবন্তচোখেআবশ্যক
১৮৩গামবোরোলাইভ বা জীবন্তচোখেআবশ্যক
৪০৬ফাউল পক্সলাইভ বা জীবন্তপাখনায় ইনজেকশনআবশ্যক
৪৫৭রানীক্ষেত ও ব্রংকাইটিসলাইভ বা জীবন্তচোখেআবশ্যক
৫০৮মাইক্রোপ্লাজমাকিল্ড বা মৃতচামড়ার নিচে ইনজেকশনঐচ্ছিক
৬০৯ফাউল কলেরাকিল্ড বা মৃতচামড়ার নিচে/মাংসে ইনজেকশনঐচ্ছিক
৭০১০ইনফেকশাস করাইজাকিল্ড বা মৃতমাংস পেশীতে ইনজেকশনআবশ্যক
৭৭১১সালমোনেলাকিল্ড বা মৃতচামড়ার নিচে ইনজেকশনঐচ্ছিক
৮৫১৩এভিয়ান এনসেফালোমাইলাইটিসলাইভ বা জীবন্তপাখনায় ইনজেকশনঐচ্ছিক
৯৪১৪ফাউল কলেরাকিল্ড বা মৃতচামড়ার নিচে/মাংসে ইনজেকশনঐচ্ছিক
১০২১৫ইনফেকশাস করাইজাকিল্ড বা মৃতমাংসে ইনজেকশনআবশ্যক
১০৯১৬মাইক্রোপ্লাজমাকিল্ড বা মৃতচামড়ার নিচে ইনজেকশনঐচ্ছিক
১১৬১৭সালমোনেলাকিল্ড বা মৃতচামড়ার নিচে ইনজেকশনঐচ্ছিক
১২২১৮এগড্রপ সিনড্রমকিল্ড বা মৃতচামড়ার নিচে/মাংসে ইনজেকশনআবশ্যক
বাণিজ্যিক লেয়ার মুরগির টিকাদান কর্মসূচী (ভ্যাকসিন সিডিউল)

লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল ও সাবধানতা

  1. বাণিজ্যিক লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল টি এলাকায় রোগের প্রকোপ এবং মুরগির শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে পরিবর্তন হতে পারে।
  2. টিকা বা ভ্যাকসিন প্রয়োগের মাত্রা প্রস্তুতকারীর নির্দেশিকা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে।
  3. হ্যাচারি তে ১ দিন বয়সে ম্যারেক্স রোগের টিকা দেওয়া না থাকলে ১ দিন বয়সে এই টিকা দিতে হব্
  4. সেকল ভ্যাকসিন কোল্ড চেইন মেইনটেন করতে হবে।

ভ্যাকসিন অকার্যকর হওয়ার কারণ সমূহ

  1. প্যারেন্ট হতে বাচ্চাতে পাওয়া এন্টিবডির পরিমান নির্ধারন না করে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে বালো ফল হবে না।
  2. পরিবেশের ভাইরাসের স্ট্রেইনের সাথে মিল না থাকলে ভ্যাকসিন কার্যকর হবে না।
  3. পূর্বে থেকেই মুরগি ঐ রোগে আক্রান্ত থাকলে।
  4. সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করা হলে।
  5. খাবার পানিরি মাধ্যমে প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাথে অন্য ঔষধ বা রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করলে।
  6. সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ না করা হলে।
  7. রোগাক্রান্ত মুরগিকে টিকা দেওয়া।
  8. আবহাওয়া বা যেকোন প্রকার ধকলের সময় টিকা দেওয়া।
  9. যন্ত্রপাতি জীবানুমুক্ত না করা।
  10. খাদ্যে মাইকোটক্সিনের উপস্থিতি।
  11. বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা যথেষ্ট না থাকলে
  12. ঘড়ে এমোনিয়া গ্যাস বেশি হলে।

আরো পড়ুনঃ দেশি মুরগি পালন পদ্ধতি ও প্রযুক্তি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Layer 1