গাভী পালন

গাভী পালন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা করতে হবে 

গাভী পালন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা করতে হবে। বর্তমান সময়ে গো খাদ্য ও সকল খাদ্য উপকরনের দাম বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে যারফলে কম খরচে পর্যাপ্ত মানসম্পন্য খাদ্য নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পরেছে। গাভী পালনে খামার ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা করতে হবে সেগুলো খামারিদের সঠিকভাবে জেনে রাখা জরুরী।

গাভী পালনে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে গাভী পালন করা হচ্ছে। সঠিক নিয়ম মেনে গাভীর যত্ন নিলে ও পালন করলে সহজেই লাভবান হওয়া যায়।

গাভীর প্রয়োজনীয় খাদ্য

চালের কুড়া, গমের ভুষি, খেসারি ভুষি, ভুট্টা ভাঙ্গা, মুশুর, মুগ,ছোলা, ও মটরের ভুষি, তিলের খৈল, তিষির খৈল, ধানের খড়, ভুট্টার খড় ইত্যাদি গো খাদ্য হিসাবে ব্যাবহার করা হয়। তবে কাঁচা ঘাস গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য।

গাভীর দানাদার খাদ্য

চালের কুড়া, গমের ভুষি, খেসারি ভুষি, ভুট্টা ভাঙ্গা, মুশুর, মুগ,ছোলা, ও মটরের ভুষি, তিলের খৈল, তিষির খৈল ইত্যাদি দানাদার খাদ্যের অনন্তর্ভুক্ত। এ সকল খাদ্য উপাদান নির্দিস্ট অনুপাতে মিশিয়ে সুষম দানাদার খাদ্য তৈ্রী করা হয় ।

গাভী পালন

গাভীর আঁশ জাতীয় খাদ্য

ধানের খড়, ভুট্টার খড়, কাঁচা ঘাস ইত্যাদি গবাদিপশুর আঁশ জাতীয় খাদ্য হিসাবে ব্যাবহার করা হয়। আঁশ জাতীয় খাদ্য দুই ভাগে ভাগ করা যায়-

গাভী গরুর খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা

গাভী পালনে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা করতে হবে বিকাশ সাধন প্রভৃতি কাজের জন্য উপযুক্ত খাদ্যের প্রয়োজন। খাদ্য পরিবেশনে শর্করা আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাদ্যের প্রতুলতার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ গাভীর শারীরিক বিকাশের জন্য সব ধরনের খাদ্য উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম।

এসব খাদ্য মিশ্রণে পশুর দৈহিক প্রয়োজন মিটানোর জন্য উপযুক্ত পরিমাণ ও অনুপাতে সব রকম পুষ্টি উপাদান খাকতে হবে। গাভীর পরিপূর্ণ বিকাশ ও উৎপাদনের জন্য তাই সুষম খাদ্যের প্রয়োজন। গাভীর খাদ্যদ্রব্যে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-আঁশযুক্ত খাদ্য, দানাদার খাদ্য ও ফিউ অ্যাডিটিভস।

আঁশযুক্ত খাদ্যের মধ্যে খড়বিচালি, কাঁচাঘাস, লতাপাতা, হে, সাইলেজ ইত্যাদি প্রধান। দানাদার খাদ্যের মধ্যে শস্যদানা, গমের ভুসি, চালের কুঁড়া, খৈল ইত্যাদি প্রধান। তাছাড়া খনিজ ও ভিটামিন এর মধ্যে হাঁড়ের গুঁড়া, বিভিন্ন ভিটামিন – খনিজ প্রিমিক্স পদার্থ রয়েছে।

গাভীকে প্রাত্যহিক পর্যবেক্ষণ, রোগ ও চিকিৎসা

নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে অসুস্থ গাভী শনাক্ত করা যায়। গাভীর বিভিন্ন রোগ বালাই যেন না হয় সেই জন্য সময়মতো টিকা দিতে হবে।

গাভী তড়কা, বাদলা, ক্ষুরা রোগ, গলাফোলা, রিন্ডারপেস্ট, ম্যাস্টাইটিস, পরজীবী ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হতে পারে। গাভীর যেকোনো রোগ দেখা দিলে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আশা করছি এই পোস্ট থেকে গাভী পালনে খাদ্য ব্যবস্থাপনা। সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। এই রকম আরও ভালো ভালো পোস্ট পেতে এই ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন।

আরও দেখুনঃ দুগ্ধ খামার স্থাপনে করণীয়


Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *