নীলি রাভী মহিষ পাকিস্থানের সুতলেজ নদীর তীরস্থ এলাকায় আদি অবস্থান। নদীর পানির বর্ণ নীল এবং নদীর পাড়ে বিচরণ করে বিধায় নীলি নাম দেয়া হয়েছে। পাকিস্থানের রাভী নদীর অববাহিকায় পাওয়া যায় বিধায় এ মহিষের নাম দেয়া হয়েছে রাভী।
বৈশিষ্ট্য
পাকিস্থানের মন্টেগোমারী ও মুলতান এবং পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলায় নীলি জাতের মহিষের আদি বাসস্থান।
নীলি-রাভী জাতের মহিষের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মাঝারী দেহের পিছনের অংশ মোটাসোটা, চোখ-কপাল-লেজ সাদা, লেজ বেশ লম্বা, মাথা বড় ও চওড়া, শিং ছোট, শিংয়ের মাঝখানে উপরে ফোলানো।
এছাড়াও মাথা-মুখের পশম মোটা, গলা লম্বা ও সরু, চওড়া গোলাকৃতি বুক, বলিষ্ট পা, পিঠ সোজা, গলকম্বল থাকে না, নাভীর ফাঁপা ছোট থাকে, গায়ের রং কালো, কপালে ক্ষুরে সাদা বর্ণ, সারা শরীরে সাদা ছাপ আছে।
উৎপাদনশীলতা
স্বাভাবিক ভাবে এই জাতের মহিষের ষাঁড়ের ওজন ৬০০ কেজি এবং গাভীর ওজন ৪৫০ কেজি। নীলি-রাভী মহিষ প্রথম বাচ্চা প্রসবের পর প্রতিদিন ৯-১৮ লিটার হিসাবে মোট দুধ দানকালে ২৫০দিনে প্রায় ৩৬০০ লিটার দুধ দেয়। নিরীহ ও শান্তশিষ্ট বিধায় ডেইরী খামারে পালন করা যায় এবং কৃষি কাজের জন্য বেশ উপযোগী।
খুলনা সরকারি মহিষ প্রজনন কেন্দ্রে দেশ স্বাধীনের পূর্ব থেকেই পাকিস্তান থেকে নীলি-রাভী জাতের মহিষ এনে জাতোন্নয়নের কার্যক্রম চলছে!!


