জারুয়া মাছের পোনা উৎপাদনে সাফল্য মাছ চাষি

জারুয়া মাছ চাষ ও পোনা উৎপাদনে সাফল গবেষকরা

জারুয়া মাছ চাষ ও পোনা উৎপাদনে সাফল গবেষকরা। মাছটি দেখতে বাটা মাছের মতো হলে ও, নাম জারুয়া মাছ। মাছটির জাত সংরক্ষণে উদ্যোগী হয়েছে অনেক চাষি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্বাদুপানি উপকেন্দ্র। এখানকার বিজ্ঞানীরা ২০১৮ সাল থেকে গবেষণা চালিয়ে জারুয়া মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদন করতে সাফল্য হয়েছেন।

জারুয়া মাছ চাষ ও, পোনা উৎপাদনে সাফল্য মাছ গবেষকরা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একসময় জারুয়া মাছের প্রাচুর্য ছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট। ক্রমেই জারুয়া মাছ বিলুপ্ত হতে থাকেন। মাছটি উত্তরাঞ্চলে খুবই জনপ্রিয় একটি মাছ ।

কিন্তু জলাশয়ের দূষণ, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদীতে বানা ও কারেন্ট জাল ব্যবহারের কারণে মাছটির প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। ২০১৮ থেকে এ পর্যন্ত গবেষণায় মাছটির কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদনের কলাকৌশলে সাফল্য পাওয়া গেছে।

জারুয়া মাছ চাষ পোনা উৎপাদনে সাফল্য মাছ গবেষকদরে উপকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, জারুয়া মাছ নিয়ে শুরুতে গবেষণা চলে উপকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেছেন। পানিতে অক্সিজেন বাড়াতে পুকুরে এয়ার রেডিয়েটর স্থাপন করা লাগবে। সংরক্ষণের ১৫ দিন পর পর জাল টেনে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

একটি পরিপক্ক ১০০ গ্রাম দৈহিক ওজনের জারুয়া মাছে ১২ থেকে ২৩০০০ হাজার পর্যন্ত ডিম পাওয়া যায়। এসব ডিম ৮৪ থেকে ১০৯ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে পাওয়া যায়। পোনা, যা বড় হতে ৭–৮ মাস সময় লেগে থাকে।

নিউটি ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করবেন। আশা করছি এই নিউটি থেকে জারুয়া মাছ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। এই রকম আরও ভালো ভালো নিউটি পেতে এই ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন।

আরও দেখুনঃ পাঙ্গাস মাছ খাওয়ার উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক


Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *